সে এক প্রতিবাদী গোধূলি, সরস্বতী ভান্ডারের প্রাণউজ্জ্বল সৃজনশীল ঝর্ণা ভট্টাচার্যের অভিনব প্রতিবাদ

 


সে এক প্রতিবাদী গোধূলি, সরস্বতী ভান্ডারের  প্রাণউজ্জ্বল সৃজনশীল ঝর্ণা ভট্টাচার্যের অভিনব প্রতিবাদ :- 

সুনন্দা বিশ্বাস :-

নতুন বছরের শুভক্ষনে ন্যায্যবিচারের "সন্দেশ" নিয়ে সরস্বতী ভান্ডারের প্রখ্যাত সানামধন্যা লেখিকা ঝর্ণা ভট্টাচার্য একটি অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি "সেন্সর ২০২৪" যা আকাশ চুম্বন করবে শীঘ্র। এই উদ্যোগটি গত বছরের ভুল এবং অন্যায়কে "কেটে ফেলার" প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। যেটি সমাজের চ্যালেঞ্জগুলির প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এবং এক অভিনব ও ন্যায্য পথ শুরুর আহ্বানের বার্তা বহন করে। 

  সন্মানীয় ঝর্না ভট্টাচার্য মনে করেন, -"সেন্সর ২০২৪"এর প্রধান ভাবপ্রকাশ -"মানুষ বড় কাঁচির মতো।" 

রাষ্ট্রীয় সেন্সরশিপ সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধ গুলি হল,গোষ্ঠী সেন্সরশিপ সামাজিক বা সমষ্টিগতভাবে ধারনা দমনের প্রবণতা।স্ব-সেন্সরশিপ ব্যক্তিগত ভয় বা সামাজিক চাপে নিজের চিন্তা দমন করা। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের উপর দাঁড়িয়ে,ভারতে সেন্সরশিপের ধারণাটি ব্রিটিশ শাসনের সময় থেকে শুরু হয়। "সেন্সর ২০২৪"-এ এই ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতাকে তুলে ধরা হয়েছে, যা মুক্ত চিন্তার শক্তিকে সাংঘাতিক ভাবে মনে করিয়ে দেয়।  

এই সার্বজগ্রাহ্য "সেন্সর ২০২৪" অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি আলোকময় ছিলো। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪  অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( আই পি এস ) মাননীয়া শান্তি দাস। এছাড়াও অভিনেতা পরিচালক গায়ক সুরকার গীতিকার সুজয় দত্ত। বিশিষ্ট  আইনজীবী,-সুপ্রিম কোর্ট -কলকাতা হাইকোর্ট সুবাস রায় মহাশয়া।বিজেপি নেতা প্রীতম দত্ত অভিনেতা জয় সেনগুপ্ত,অভিনেতা রাজদীপ সরকার।মনস্তত্ত্ববিদ জয়তী মুখার্জি।- এবং সাহিত্যিক লেখিকা কবি সমাজসেবী গীতিকার সুরকার আবৃত্তিকা সৃজনশীল সম্মানীয়া ঝর্ণা ভট্টাচার্য। কর্মসূচির  লক্ষণীয়  বিষয় ছিলো,-সমকালীন ভারতে সেন্সরশিপের প্রভাব নিয়ে প্যানেল আলোচনা। - অতীতের ভুল "কেটে ফেলার"প্রতীকী প্রতিবাদ। যা নজর কারা। সাথে ন্যায়বিচার ও পুনর্জাগরণে অনুপ্রাণিত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। 

"সেন্সর ২০২৪" শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি একটি প্রতিবাদী আহ্বান।



সন্মানীয়া ঝর্ণা ভট্টাচার্য তিনি সেন্সর বোর্ডের ধারণা তুলে ধরেন খুব সহজ ভাবে। বিতর্কের মাঝে মন শান্ত রাখার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন । তিনি মেট্রোতে চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি সমাজের গুরুতর Electricity প্রতি উদাসীনতার দ্বৈততা তুলে ধরেন।  প্রীতম দত্ত এর মতে সমাজের ভুল ভাবনার প্রতি আঙুল তোলেন, -যেখানে ব্যক্তিগত মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করা কি সত্যি ঠিক! মেট্রোতে যুগলের চুম্বন চিৎকার। কিন্তু ধর্ষকদের সঠিক উত্তর কোথায়! তিনি আসল অন্যায়গুলো মোকাবিলা করার উপর জোর দেন। আইনজীবী সুভাষ রায় ব্যাখ্যা করেন যে মেট্রোতে চুম্বন আইনত বৈধ, যদি তা অশ্লীলতার পর্যায়ে না যায়। তিনি এই ঘটনাগুলির নিরাপদ দিকটি তুলে ধরেন, এবং বলেন যে এগুলি জনসাধারণের শালীনতা লঙ্ঘন করে না। পাশাপাশি তিনি আরজি কর কেস সম্পর্কেও আইনি দিক ব্যাখ্যা করেন। জয় সেনগুপ্ত সেন্সর বোর্ডের বিভিন্ন ধরণ যেমন রাষ্ট্রীয় সেন্সরশিপ গোষ্ঠী এবং স্ব-সেন্সরশিপ নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও সঞ্চালিকা মোনালিসার সঞ্চালনা ছিল মন ছোঁয়া।



 তিলোত্তমা কলকাতাতে " সেন্সর ২০২৪ "- এর যে প্রাণবন্ত আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা,- তা সহজেই আশায় হাতে হাত বাঁধা যায়। - যা আগামী দিনের অন্যায়ের  বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাহাড়ের বুক চেরা বাস্তব ঝর্ণার জল।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরীর আদলে নতুন জগন্নাথ মন্দির হুগলির মসাটে

“বঙ্গীয় নাট্য উৎসব ২০২৫”-

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, ও বিচারপতি অরজিত ব্যানার্জি কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের পরিকাঠামো ঘুরে দেখলেন -