নজরুল তীর্থ এম্পিথিয়েটার হলে হয়ে গেল এক অন্য স্বাদের অনুষ্ঠান "ভালবাসা কলিং"

 

নজরুল তীর্থ এম্পিথিয়েটার হলে হয়ে গেল এক অন্য স্বাদের অনুষ্ঠান "ভালবাসা কলিং"  :-

সুনন্দা বিশ্বাস :- 

ভালোবাসাতে জর্জরিত হয়ে বসন্ত পঞ্চমী চলে গেলো আবির মেখে। প্রেমের কৃষ্ণচূড়া আজ রঙিন হল প্রতিদিনের সকালে।ছড়িয়ে পড়লো শুধু ভালোবাসার রং। 

যে বৃদ্ধ বাবা মা সন্তানদের থেকে দূরে থাকে,-  পিতৃ বা মাতৃ দিবসে তাঁরা শুধু জানবে তাঁদের প্রতি ভালবাসার শুভেচ্ছা বার্তা সোশ্যাল মিডিয়াতে।  বলাই যায়,-  সেই ভালবাসার উষ্ণতা হৃদয় বিহীন।  রাতের দুঃস্বপ্নের ভিড়ে আদরের স্পর্শ কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে ! 

 চারিদিকে এত ব্যক্তি আক্রমণ, হৃদয়ের রক্তক্ষরণ, মানুষে মানুষে ব্যক্তিস্বার্থের লড়াই, এত বিচ্ছেদ সত্যি কল্পনার অতীত। আমরা নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসতেই  ভুলে গিয়েছি ! কেমন যেনো "আমিত্ব"! 

ইচ্ছা খুশি আঙ্গুল তুলি অন্যের দিকে,- অপরাধী বলে তকমা আঁটি। আমরা হারিয়ে ফেলেছি  হৃদয়ের ভালোবাসা সাথে সামাজিক সুশৃংখলতা।

পৃথিবীর সকল সম্পদকে হারিয়ে একাই রাজত্ব করে  "ভালোবাসা"!- এমন চরম সত্য কে মাথায় নিয়ে যে কোনো মানুষ কে সুস্থ করা, কর্মের প্রতি আকৃষ্ট করা এবং দুঃখ দূর সম্ভব। মনুষত্ব বোধের উৎসাহ এবং ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে PRSI আয়োজন করেছিল এক অভিনব অনুষ্ঠান,-"ভালোবাসা কলিং"!!

১৬ ফেব্রুয়ারী সাংস্কৃতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হল এই হৃদয় গ্রাহ্য অনুষ্ঠান। এখানে শারীরিক মানসিকভাবে অতি সক্ষম বাচ্চারা ছড়িয়ে দিল ভালবাসার আবির। 

ব্যস্ততম ডাক্তার অর্ণব গুপ্ত গানে গানে বললেন ভালবাসার গল্প। সাথে কবিতা,গান,নৃত্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান। অভিনব পরিবেশনা দেখা গেল গীতিকার সাহিত্যিক বাচিক শিল্পী এবং সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব সম্পন্না ঝর্ণা ভট্টাচার্য্য  সাথে সুজয় রুদ্র এর কথা কবিতায় গানের কোলাজে না বলা ভালোবাসা সহানুভূতিশীল অনুভূতির গল্প মিলে গেল। যেমন নদী -সাগরের "মোহনায়" মিলন হয়! সাথে ভালবাসার সম্বর্ধনা প্রদান করে নিজেদের সম্মানিত করা যাঁরা নিজ নিজ জায়গায় তাঁদের কাজের ছাপ ফেলেছেন তাঁদের সম্মানিত করা হল। অপূর্ব সঞ্চালনা করলেন রেশমি ।সৌম্যজিত মহাপাত্রের বক্তব্য মনে বলিষ্ঠ ছাপ ফেলল সকলের ।এছাড়া নৃত্য পরিবেশন করলেন  অঙ্কিতা ভট্টাচার্য,শালিনী মুখার্জি, শ্রবনা মিত্র দাস।



এছাড়া সঙ্গীতে ছিলেন ভাস্বতী দত্ত,শর্মিষ্ঠা গুপ্ত, সুভাষ মোহান্তি, জয়া সরকার। উপস্থিত ছিলেন জাগৃতি ধামের কর্ণধার অনিন্দ্য দাস ।

 ভালবাসা কে কোন  খাঁচায় বন্দী না রেখে মেঘেদের সাথে উড়তে দেওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ অনুষ্ঠান ছিল "ভালোবাসা কলিং"!

"ভালোবাসা কলিং"- ভালোবাসাই মোরা থাক!!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরীর আদলে নতুন জগন্নাথ মন্দির হুগলির মসাটে

“বঙ্গীয় নাট্য উৎসব ২০২৫”-

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, ও বিচারপতি অরজিত ব্যানার্জি কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের পরিকাঠামো ঘুরে দেখলেন -