টাকা লুট হল দুই বীমা সংস্থার কর্মীর কাছ থেকে
টাকা লুট হল দুই বীমা সংস্থার কর্মীর কাছ থেকে:-
সুনন্দা বিশ্বাস:-
দুই বীমা সংস্থার কর্মীর কাছ থেকে লক্ষাদিক টাকা লুট হল। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাতজন দুষ্কৃতী গ্রেফতার। বাজেয়াপ্ত করা হল তিনটি বাইক।
হাসনাবাদ থানার নন্দনপুর এলাকার ঘটনা। চলতি মাসের ৬,ই মার্চ দুই বীমা কর্মী, দুপুর আড়াইটে নাগাদ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।
সেই সময় মোটর বাইকের ৭জন দুষ্কৃতী সশস্ত্র অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লক্ষাধিক টাকা লুট করে চম্পট দেয়। এই ঘটনায় রীতিমতো এলাকায় আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ থেকে পথ চলতি মানুষ। দূষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার বিকেলবেলা প্রতিবাদ বিক্ষোভে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ওই বীমা সংস্থার দুই কর্মী হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এই ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হাসনাবাদ এসডিপিও ওমর আইসি গোপাল বিশ্বাস যৌথভাবে একটি স্পেশাল পুলিশ টিম গঠন করেন।ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে দুষ্কৃতীদের নামও পরিচয় জানার চেষ্টা করে পাশাপাশি তাদের বয়ান রেকর্ড করে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়।
ফারুক ও রিয়াজুল নামে ২ কুখ্যাত দুষ্কৃতী এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড তারাই পরিকল্পনা করে বাকি পাঁচজনকে একত্রিত করে ৮৫ হাজার টাকা ছিনতাই করে বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার ব্যানার্জি বলেন,- "এই ঘটনা আমরা অভিযোগ কারীর কাছ থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিস্তারিত জেনে একটি স্পেশাল ফোর্স গঠন করি এবং সেখানে দক্ষ অফিসারদের কাজে লাগিয়ে মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে ছিনতাই কারী চক্রদের মূল মাথাসহ সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। ঈদের কি পুলিশে হেফাজতে নিয়ে এর সঙ্গে বড় মাথা কেউ আছে কিনা সেটাও তদন্ত করে দেখছি পাশাপাশি এই সাতজনের বিরুদ্ধে বসিরহাট ও বনগাঁ ও বারাসাতের বিভিন্ন থানায় এলাকায় সমাজবিরোধী ডাকাতি ছিনতাই রাহাজানি একাধিক অভিযোগ রয়েছে।একসঙ্গে কোন বড়মাথা আছে কিনা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে"।
সাত দুষ্কৃতীকে সোমবার বসিরহাট মহাকুমা আদালতে তুললে তিনজনের চারদিনের পুলিশে হেফাজত হয়েছে। বাকি চারজনের ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছে আদালত।



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন