পুরীর আদলে নতুন জগন্নাথ মন্দির হুগলির মসাটে:- সুনন্দা বিশ্বাস :- হুগলি জেলার মসাটে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের উদ্যোগে নির্মিত হতে চলেছে এক অনন্য মন্দির – “মহাবীর স্বামীজি টেম্পেল কাম যোগা সেন্টার”। বুধবার, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার পবিত্র তিথিতে, পূজাপাঠ ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে নির্মিত এই মন্দির কেবলমাত্র উপাসনার স্থানই নয়, এটি একটি যোগা কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করবে, যা স্থানীয় মানুষদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী নিত্যরূপানন্দ মহারাজজী, সহ অন্যান্য মহারাজ গণ। উপস্থিত ভক্তবৃন্দ এবং স্থানীয় মানুষের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও আবেগ।
“বঙ্গীয় নাট্য উৎসব ২০২৫”- সুনন্দা বিশ্বাস- কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরের মর্যাদাপূর্ণ অশুতোষ বার্থ সেন্টেনারি হলে ৩ ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, অনুষ্ঠিত হোলো রূপান্তর থিয়েটার ফেস্টিভ্যালের “বঙ্গীয় নাট্য উৎসব ২০২৫”। বাংলা থিয়েটারের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই উৎসব ছিল এক অনন্য উদ্যোগ। বাংলা নাটকে আধুনিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত—‘শর্মিষ্ঠা’ ও ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের মধ্য দিয়ে। এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখতে রূপান্তর থিয়েটার ফেস্টিভ্যালের এই প্রয়াস ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন নাট্যদল অংশগ্রহণ করে তাদের সৃষ্টিশীল ও আকর্ষণীয় নাট্যপ্রদর্শনী উপস্থাপন করেন। দর্শকসংখ্যা, আলোচনা এবং প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে এই প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর। উপস্থিত অসংখ্য নাটকের মধ্যে বিশেষভাবে দর্শকদের মন কেড়েছে ‘অভিনেত্রী সংঘ’ নাট্য সংস্থার নাটক ‘ঢপের চপ’। নাটকটির রচনা, প্রয়োগ, পরিকল্পনা, পরিচালনা ও অভিনয় সবই করেছেন পরিচিত বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্য শিল্পী পাপিয়া অধিকারী ও তাঁর দল। তিনি জানান—১৯৫২ সালে ছবি...
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, ও বিচারপতি অরজিত ব্যানার্জি কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের পরিকাঠামো ঘুরে দেখলেন - সুনন্দা বিশ্বাস- কোলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো আদালত ভবন ঘুরে দেখলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জি। উল্লেখ্য আগামী ১৭ই জানুয়ারি জলপাইগুড়ি স্থায়ী আদালত ভবনের শুভ উদ্বোধন হতে চলেছে। সেই কারনেই এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের পরিদর্শন। বিচারপতিদের সাথে ছিলেন হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ও জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও আধিকারিকরা। উল্লেখ্য গত ২০১৯ সালে জলপাইগুড়ি স্টেশন রোড়ে অবস্থিত জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে অস্থায়ী ভাবে আদালতের কাজ শুরু হয়। আর বর্তমানে পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৭নং জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় ৪০ একর জায়গায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যায়ে গড়ে উঠেছে স্থায়ী আদালত ভবন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, পাশাপাশি দেশের একাধিক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য বিচারপতিরাদের।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন